‘আগামী শতবর্ষের ভিত্তি গড়ার উদ্যোগ নিতে হবে’

ডিউ নিউজ ডেস্ক / ৭৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট রবিবার, ২৭ জুন, ২০২১
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান।

আগামী ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত আধুনিক বাংলাদেশের প্রথম ও ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন শতবর্ষের দ্বারপ্রান্তে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কার্যক্রম ছাড়াও প্রাসঙ্গিক নানা বিষয়ে কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দেশ রূপান্তর সম্পাদকীয় বিভাগের এহ্সান মাহমুদ

 

  •  ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শতবর্ষের দ্বারপ্রান্তে। এ সময়ে এসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই।

 

মো. আখতারুজ্জামান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়া অঞ্চলের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠ। এর রয়েছে একটি সোনালি ইতিহাস। বাঙালি জাতির মুক্তির ইতিহাসের প্রতিটি অধ্যায়ে রয়েছে এর অবদান। পুরো দেশের শিক্ষা, অর্থনীতি, রাজনীতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে বাতিঘর হিসেবে কাজ করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। মুক্তবুদ্ধি চর্চার প্রাণকেন্দ্র, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধের লালনক্ষেত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন অতিক্রম করছে শততম বর্ষ।

 

পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট্রই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিন্নমাত্রার গর্ব। এ ছাড়া জাতীয় সংকটের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা ভূমিকাও আমাদের অর্জন। মূলত জ্ঞান সৃষ্টি করাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ, সেটি যাতে বাস্তবায়নের পরিবেশ থাকে সে লক্ষ্যেই আমাদের কাজ করে যেতে হবে।

 

শতবর্ষের এই সময়টা যেমন আমাদের জন্য আবেগের, তেমনি অতীত ইতিহাসের সোনালি দর্পণে নিজেদের আজকের অবস্থানকে প্রতিফলিত করে আরও একবার ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের বীজ বপন করা আমাদের কাজ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষ উপলক্ষে ‘টেকসই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও চতুর্থ শিল্পবিপ্লব উপযোগী বিশ্ববিদ্যালয় বিনির্মাণ ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি’ প্রতিপাদ্য গ্রহণ করে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ এবং দরকারি অবকাঠামোসহ সামগ্রিক উন্নয়নের একটি মাস্টারপ্ল্যান গ্রহণ করা হবে। শতবর্ষ পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে, সেটি থেকে উদ্দীপ্ত হয়ে শতবর্ষ পরের ভিত্তি গড়তে উদ্যোগ নিতে হবে। শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে লন্ডনে আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এই জুলাইয়ে সেটি হওয়ার কথা ছিল। এখন করোনা পরিস্থিতিতে মূল অনুষ্ঠানটি আগামী ১ নভেম্বর আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

 

দেশ রুপান্তর

 

  •  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেবর বেড়েছে। কিন্তু গবেষণা ও শিক্ষার মান বাড়েনি বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। বিশেষ করে, আন্তর্জাতিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে থাকা এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী?

 

মো. আখতারুজ্জামান: আমাদের এই বিদ্যাপীঠ ১৯২১ সালে ৬০০ একর জমির ওপর যাত্রা শুরু করেছিল। সেই সময়ে মাত্র ৩টি অনুষদ, ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক, ৮৪৭ জন শিক্ষার্থী এবং ৩টি আবাসিক হল ছিল। এখন সময়ের পরিক্রমায় কলেবর অনেক বেড়েছে। তবে সব ক্ষেত্রে বিজ্ঞানসম্মত, পরিকল্পিতভাবে সম্প্রসারণ ঘটেছে সে কথা বলার অবকাশ নেই। প্রয়াস থাকা সত্ত্বেও নানা সীমাবদ্ধতার কারণে শিক্ষার গুণগত মান নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে একটি বিশেষ অবস্থানে উন্নীত করানোর জন্য মৌলিক গবেষণা কার্যক্রম জোরদারের বিকল্প নেই। এজন্য অবশ্য সুষ্ঠু অবকাঠামোগত পরিকল্পনা, প্রশাসনিক দক্ষতা ও সঠিক সমন্বয় দরকার। র‌্যাংকিং নির্ধারণের সূচকগুলোর বিশেষ করে মৌলিক গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর অনুপাতের উন্নয়ন না ঘটলে বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে আমাদের অবস্থান এগোনো তো দূরের কথা, পেছানো অস্বাভাবিক নয়। একটি তথ্য বলা যেতে পারে কিউএস ওয়ার্ল্ড র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৮০০-১০০০-এ; কিন্তু বিষয়ভিত্তিক Business and Management Studies ক্যাটাগরিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৩৫১-৪০০।

 

এ ছাড়া প্রতি বছর শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বাস্তবতার বিবেচনায় যৌক্তিকভাবে নির্ধারিত এটা বলা কঠিন। শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ ও মানের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিভিন্ন বিভাগ/ইনস্টিটিউটগুলোর সক্ষমতা, দেশ ও আন্তর্জাতিক পরিম-লের চাহিদা, সর্বোপরি Institutional Quality Assurance Cell (IQAC)-এর সূচক বিবেচনায় শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা পুনর্নির্ধারণের জন্য অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সম্মানিত ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও ইনস্টিটিউটের পরিচালকদের নির্দেশনা দিয়েছেন। কিন্তু বিষয়টি খুবই চ্যালেঞ্জিং।

 

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মূল সমস্যাগুলোক্লাসরুম সংকট, গ্রন্থাগার অবকাঠামো সংকট, হলের ক্যান্টিনগুলোতে পুষ্টিমানসমৃদ্ধ খাবার চিহ্নিত করে তার সমাধানের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোকে যুগোপযোগী করতে হবে। আমি মনে করি, এসব কাজ করতে পারলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে গুণগতভাবে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের লোগো।

 

  • একটা সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে বাংলাদেশের সব আন্দোলন-সংগ্রামের সূতিকাগার বলা হতো। বর্তমানে ছাত্র-শিক্ষকদের দলীয় রাজনীতির লেজুড়বৃত্তি প্রকট হয়ে ওঠায় এটি সামগ্রিকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। আপনি কীভাবে দেখেন?

 

মো. আখতারুজ্জামান: বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সমাজসচেতন, রাজনৈতিকমনস্ক গ্র্যাজুয়েট হিসেবে গড়ে উঠবে এটা প্রত্যাশিত। ক্ষুদ্র দলীয় সংকীর্ণতার বাইরে গিয়েই তাদের বড় হতে হবে। আর দলীয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে বলবএটা যার যার আদর্শগত সিদ্ধান্ত। তবে রাজনৈতিক আদর্শ দেশ ও সমাজ পরিপন্থী হবে না এটাই কাম্য।

 

  •  সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে দলীয় বিবেচনা ও গবেষণা কার্যক্রমে জালিয়াতির অভিযোগ বেশ আলোচিত…

 

মো. আখতারুজ্জামান: প্রথমেই বলব, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, সেসব নিয়ে তদন্ত হয়েছে। যাদের অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেছে, তার বা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। কিছু অনিয়ম ঘটেছে, এটা সত্য। বিশেষ করে এই মুহূর্তে বলা যায়, শিক্ষক নিয়োগের বিষয়ে অনিয়ম হয়েছে বলে উচ্চ আদালতের একটি পর্যবেক্ষণ ছিল। অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা এড়ানোটাই প্রত্যাশিত।

 

পাশাপাশি ‘প্ল্যাজারিজম’ বা ‘চৌর্যবৃত্তি’ প্রতিরোধে নীতি প্রণয়নেও বিশ্ববিদ্যালয় কাজ করছে। এটি করা গেলে ভবিষ্যতে এর সুফল পাওয়া যাবে বলে আমি আশাবাদী।

 

সিনেট অধিবেশন

 

  • শতবর্ষী বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা এবং গ্রন্থাগার খাতের বরাদ্দ যথেষ্ট নয় বলে বিভিন্ন মহলের আলোচনায় উঠে আসে প্রায়ই…

 

মো. আখতারুজ্জামান: গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাজেট বরাদ্দ নিয়ে অপ্রতুলতার অভিযোগ পুরোপুরি সত্যি নয়। তবে অবকাঠামোগত দুর্বলতা রয়েছে। আর গবেষণার ক্ষেত্রে বাজেট কম হলেও কিছু গবেষণা কিন্তু হচ্ছে। আমি তো বলব, বেশ সফল ফলাফলও আসছে এসব গবেষণা থেকে। যেসব গবেষণা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে সেসব চালু করতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। গবেষণায় মনোযোগ দেওয়া হবে।

 

শতবর্ষ উদ্্যাপনের অংশ হিসেবে সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি বিশেষ গবেষণা বরাদ্দ প্রদান করেছে। এর আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মৌলিক গ্রন্থ ও জার্নাল প্রকাশনা ও গবেষণা প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এমফিল ও পিএইচডি প্রোগ্রামকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার জন্য নীতি ও কার্যক্রম ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মৌলিক ও প্রায়োগিক উভয় ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানের পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু করার বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য অবশ্য গবেষণা বৃত্তি প্রদানের বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে। গবেষণা কাজের মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যয়বহুল মৌলিক গবেষণার দরকারি অর্থায়ন এখন সময়ের দাবি।

 

সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আমরা বড় বড় ব্যয়বহুল গবেষণা করতে না পারলেও কিছু গবেষণা হচ্ছে। এখন বলা যেতে পারেগত মে মাসেই বিশ্বখ্যাত জার্নাল সায়েন্টিফিক রিপোর্টস-এ প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. হাসিনা খান ও অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রিয়াজুল ইসলাম এবং জিন প্রকৌশল ও জীবপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে একদল গবেষকের পাটের নতুন ব্যাকটেরিয়া থেকে নতুন অ্যান্টিবায়োটিকের সন্ধান পাওয়া বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় BCSIR, Dhaka-এর প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ছিল। বড় বড় ব্যয়বহুল গবেষণা না হোক, এমন আরও কিছু গবেষণা কিন্তু হচ্ছে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষপূর্তি উদ্যাপন উপলক্ষে শিক্ষকদের কাছ থেকে গবেষণা প্রকল্পের জন্য ২৫১টি গবেষণা প্রস্তাব, বিভাগ/ইনস্টিটিউট থেকে প্রকাশের জন্য ৪২টি গ্রন্থ এবং ২৮টি জার্নালের বিশেষ সংখ্যার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।

 

এসব ছাড়াও বেশ বড় ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প সিন্ডিকেট সভায় নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ঢেলে সাজানোর প্রয়াসে প্রথমবারের মতো একটি পূর্ণাঙ্গ মাস্টারপ্ল্যান প্রণীত হয়েছে। এর মধ্যে গবেষণাগার সংস্কার ও আধুনিকায়ন, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সম্প্রসারণ ও আধুনিকীকরণ, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের উন্নয়ন, মেডিকেল সেন্টারের যুগোপযোগীকরণ, আইটি হাব নির্মাণসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ রয়েছে। ডিজিটাল বিশে^র সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটকে আন্তর্জাতিকমানের রূপ দিতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এসব সম্পন্ন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমাদের গর্ব বেড়ে যাবে।

 

জাতীয় দৈনিক দেশ রুপান্তর।

 

  • করোনা পরিস্থিতিতে দেশের শিক্ষাকার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও এর বাইরে নয়। এ থেকে উত্তরণে আপনাদের পদক্ষেপ কী?

 

মো. আখতারুজ্জামান: কভিড-১৯ পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হলেও অনলাইন ও অফলাইনের সমন্বয় আনার মাধ্যমে যাবতীয় শিক্ষাকার্যক্রম সচল রাখা হয়। সম্পূর্ণ নতুন এবং ভিন্ন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাই এ ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন। দীর্ঘ মেয়াদের সেশনজটের ঝুঁকি রুখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল প্রণীত ‘Loss Recovery Plan’ প্রণয়ন করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ক্লাস করে ও অনলাইনে বা সশরীরে বিভিন্ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দীর্ঘ মেয়াদের সেশনজটের ঝুঁকি রুখতে পেরেছে। এ মুহূর্তে ৫-৬ মাসের সেশনজট থাকলেও ‘ক্ষতি পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা’ অনুসরণ করলে তার নিরসন করা সম্ভব। এ ছাড়া সিনেট, সিন্ডিকেট, অ্যাকাডেমিক কাউন্সিল, ফিন্যান্স কমিটি, অ্যাকাডেমিক কমিটিসহ বিভিন্ন বডির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার সামগ্রিক ব্যবস্থাকে ডিজিটাইজেশনের আওতায় আনতে ‘লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ (এলএমএস) গড়ে তোলার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

 

শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও শ্রেণিকক্ষভিত্তিক উপস্থিতিমূলক পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সদয় নির্দেশনায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে চল্লিশোর্ধ্ব শিক্ষকদের টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনা গেছে। সব শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীকে টিকা কার্যক্রমের আওতায় আনার পর আবাসিক হল ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

  • অনেক ধন্যবাদ, আপনাকে।

 

মো. আখতারুজ্জামান: আপনাকেও ধন্যবাদ।

 

কৃতজ্ঞতা: দেশ রুপান্তর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ