শতবর্ষে ঢাবি

‘তিন ইহুদির ষড়যন্ত্র’ ও নবাব পরিবারের জায়গা-জমি

ডিউ নিউজ ডেস্ক / ১২১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
ছবিটি দ্য ডেইলি স্টারের সৌজন্য।

আলমগীর শাহরিয়ার

 

১ জুলাই গৌরবের শতবর্ষ পূর্ণ করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে নিরানন্দ এক পরিবেশে কার্জন হলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। উৎসবমুখর না হয়ে নিরানন্দ হওয়ার কারণটা ছিল রাজনৈতিক। শতবর্ষ পূর্তির মাহেন্দ্রক্ষণটাও নিতান্তই নিরানন্দময়।

 

করোনা মহামারির দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে উৎসব উদযাপন নেই। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাখো শিক্ষার্থীর চিত্তে চাঞ্চল্য টের পাওয়া যাচ্ছে ঠিকই। শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির বহুমাত্রিক বিষয় নিয়েই আলোচনা করা যায়।

 

অমর একুশে বইমেলা-২০২১ এ ঢাবির শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত ‘রবীন্দ্রনাথ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতা’ বইটি নিয়ে কাজ করার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে অনেক চমকপ্রদ তথ্য জানার সুযোগ হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়— আলোচিত একটি প্রসঙ্গ নিয়ে অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে আলোকপাত করার চেষ্টা করেছি আমার গ্রন্থটিতে।

 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নবাব পরিবারের দান করা জায়গা-জমি নিয়ে বেশ বিতর্ক দেখা যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় নবাব পরিবারের অবদান আছে। কিন্তু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬০০ একর ভূমি নবাব পরিবার দিয়েছিল দাবিটি একটি মিথ হিসেবেই চালু আছে। ঢাকাকে নগরীর মর্যাদা দেয় প্রথমত মুঘলরা। ১৬০৮ সালে ঢাকায় প্রথম মুঘলদের পা পড়ে। ১৬১০ সালে সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থানান্তর করেন। ঢাকা প্রথমবারের মতো রাজধানী হওয়ার গৌরব লাভ করে। তার আগে মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহলে। ১৬১০ সালে ইসলাম খান চিশতি মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। রমনা এলাকা ওই সময়েই গড়ে ওঠে।

 

বাংলা মুঘলদের কাছে ছিল একটি সুবা। সুবা মানে প্রদেশ। ডাকা হতো সুবা বাংলাহ বলে। এর প্রধানকে বলা হতো সুবাদার। ব্রিটিশ আমলে যেমন ছিল গভর্নর। ১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খাঁন ঢাকা থেকে রাজধানী সরিয়ে নেন বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদে। ইংরেজরা শাসন ক্ষমতায় আসার পর কলকাতা রাজধানী হলে ঢাকা গুরুত্ব হারায়। যদিও কলকাতার চেয়ে অনেক পুরনো শহর ছিল ঢাকা।

 

অনেক অনেক বছর পর ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের সময় লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সংস্কার করলে ঢাকার গুরুত্ব আবার বাড়ে। এ সময় বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজকে তৎকালীন পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের সেক্রেটারিয়েট ভবন হিসেবে নির্মাণ হয়। প্রায় একই সময়ে নির্মিত হয় কার্জন হল। পূর্ববঙ্গ ও আসামের গভর্নর স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারের বাসভবন হিসেবে বর্তমান হাইকোর্ট ভবন নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। যদিও নিরাপত্তা অজুহাত দেখিয়ে ছোট লাট এখানে বাস করেননি। ঢাবির ভিসি চত্বর থেকে পলাশী যেতে ‘ফুলার রোড’ও তারই স্মৃতিচিহ্ন বহন করে। হাইকোর্ট ভবন প্রাদেশিক পরিষদের জন্য নির্ধারিত হয়। কিন্তু প্রাদেশিক পরিষদের কোনো অধিবেশনও সেখানে বসেনি। মূল ঢাকার উত্তরে বিস্তীর্ণ এ অঞ্চল ছিল জঙ্গলাকীর্ণ। এমনকি ত্রিশের দশকে লেখক বুদ্ধদেব বসুর বর্ণনায় যে ঢাকা পাওয়া যায় সেখানেও এ বিস্তীর্ণ অঞ্চল ছিল অনাবাদী ও বসতিহীন।

 

ঢাকার নবাব পরিবার এখানে একটি রাজকীয় বাগান তৈরি করে নাম দেয় ‘শাহবাগ’। জানা যায়, নবাব আহসানউল্লাহর তিনটি বাগান বাড়ির একটি ছিল এই শাহবাগে। বর্তমান মধুর ক্যান্টিন ছিল একসময় বাঈজিদের নাচ ঘর। আসদুগানে ঢাকার লেখক হাকিম হাবিবুর রহমানের মতে, এটি ছিল বাগানবাড়ির দরবার কক্ষ। পরবর্তী কালে এখানেই ১৯০৬ সালে মুসলিম লীগ গঠিত হয়। মুঘলদের পর ব্রিটিশরা এসে এই এলাকা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলে। রমনা এলাকার গোড়াপত্তন হয় অবশ্য মুঘল আমলেই। ঢাকা আবারও প্রাণ ফিরে পায় ১৯০৫ সালে পূর্ব বাংলা ও আসাম নিয়ে গঠিত নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ার পর। রমনা, নীলক্ষেত, মিন্টু রোড, হেয়ার রোড এলাকাকে কেন্দ্র করে গঠিত হয় নতুন শহর। নতুন উপশহর রমনা এলাকাকে ব্রিটিশরা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলে। যদিও বঙ্গভঙ্গ রদের পরে আবার তা থমকে যায়। নতুন প্রদেশের সরকারের জন্য নির্মিত ভবনগুলো আর রমনার সবুজ পরিবেশে ১৯২১ সালে যাত্রা শুরু করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের চিত্ত বিকাশের কথা চিন্তা করে মনোরম একটি পরিবেশও পরিকল্পনাকারীদের ছকে ছিল। নবাবদেরও এখানে কিছু জায়গা ছিল। কিন্তু তারা এ জায়গা পেয়েছিলেন কোথায়? পুরো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা নবাবদের সম্পত্তি ছিল এ দাবি সর্বাংশে সত্য নয়। অধিকাংশ জায়গা ছিল খাসমহল।

 

অধ্যাপক রাজ্জাকের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সলিমুল্লাহ হল নিয়ে জানতে চান সরদার ফজলুল করিম। হলের পাশাপাশি ঢাবির জায়গা নিয়েও তিনি তার মত দেন। প্রশ্ন করা হয়, ‘স্যার, বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলমান ছাত্রদের প্রথম ছাত্রাবাসের নাম যে সলিমুল্লাহ হল রাখা হলো, এর কারণ কি? এতে নওয়াব পরিবারের কি কোনো আর্থিক কন্ট্রিবিউশন ছিল?’ কৌতূহলী এ প্রশ্নের উত্তরে জাতীয় অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘আদৌ কোনো কন্ট্রিবিউশন ছিল না। আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী লেখাপড়ায় ব্রিলিয়ান্ট ছিল। এরা আহসান মঞ্জিলের টাকায় লেখাপড়া করেছে। এরা সলিমুল্লাহর মৃত্যুবার্ষিকী পালন করত। ঢাকা ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রায় ১০ বছর পরে তার একটা মৃত্যুবার্ষিকীতে তার নামে একটা ছাত্রাবাস করার প্রস্তাব এরা করেন। মুসলিম ছেলেদের জন্য হল তখন হয়ে গেছে। প্রথমে এ হল ছিল এখনকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বিল্ডিংয়ে। আবদুল্লাহ সোহরাওয়ার্দী বললেন: এ হলকে সলিমুল্লাহ মুসলিম হল করা হোক।’

 

এখানে অধ্যাপক রাজ্জাক চমকপ্রদ একটি তথ্য যোগ করেন। তিনি বলেন, ‘কোনো মুসলমান ধনীর কাছ থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি ডাইরেক্টলি কোনো ফাইনেন্সিয়াল কন্ট্রিবিউশন পায় নাই।’ অথচ অন্য সূত্রে জানা যাচ্ছে, মুসলমানদের কংগ্রেসী নেতা ব্যারিস্টার আব্দুর রসুল তখন রবীন্দ্রনাথের বিশ্বভারতীকে এক হাজার এবং তার সঙ্গে সৈয়দ হাসান ইমাম পাঁচশ টাকা দান করেন। যতই অল্প হোক, সে দান ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্নে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কানাকড়িও পায়নি। এর বিরোধিতাকারী হিন্দু জাতীয় নেতাদের মধ্যে স্যার আশুতোষ ছাড়াও ছিলেন বিপিন চন্দ্র পাল, সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, সুরেন্দ্রনাথ সমাজপতি, ব্যারিস্টার ব্যোমকেশ চক্রবর্তী, পেয়ারী মোহন মুখোপাধ্যায়, অম্বিকা চরণ মজুমদার। ঢাকার হিন্দু নেতাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকার প্রভাবশালী আইনজীবী ও সাবেক পৌরসভা চেয়ারম্যান আনন্দচন্দ্র রায়, বাবু ত্রৈলোক্যনাথ বসু প্রমুখ। পাশাপাশি মুসলমানদের মধ্যে ব্যারিস্টার আব্দুর রসুল, মাওলানা আকরম খাঁ, মৌলবি আবুল কাসেম, বিহারের মৌলবি লিয়াকত হোসেন প্রমুখ তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হলে হিন্দু এলিট শ্রেণির স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে যেমন একাংশ উদ্বিগ্ন ছিলেন, বিরোধিতায় মাঠে সক্রিয় ছিলেন তেমনি মুসলমানদের একাংশও। তাদের উদ্বেগ ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও গুরুত্ব কমে যাবে।

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে তখন হিন্দু বুদ্ধিজীবী ও নেতারা তিন ইহুদীর ষড়যন্ত্র বলেও চিহ্নিত করেছেন। এই তিন ইহুদী ছিলেন উপাচার্য পি জে হার্টগ, গভর্নর জেনারেল লর্ড রিডিং ও ভারত সচিব মন্টেগু। মুসলমানদের মধ্যেও হয়তো অনেকে এই ধারণা পোষণ করেছেন।

 

ফিরে যাই রাজ্জাক স্যারের কথায়। তিনি বলছেন, ‘সলিমুল্লাহ হল যে তৈরি হলো তা পুরোই সরকারের টাকায়। নওয়াব পরিবারের টাকায় নয়; জায়গাতেও নয়। রমনায় যে জায়গায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি, তা পুরোটাই খাসমহল এবং সরকারের জমি। সেটেলমেন্ট রিপোর্টে তাই আছে। বরং লাখেরাজ সম্পত্তি বললে রমনা কালীবাড়িকে বলা যায়। ঢাকা শহরে লাখেরাজ সম্পত্তি কি এ নিয়ে আলোচনা চলছে ১৮১৫ কি ১৮২০ থেকে।’

 

ঢাকার নওয়াবদের ভূসম্পত্তির উৎস কি? একই আলোচনায় রাজ্জাক স্যার বলছেন, ‘ঢাকার নওয়াবদের জমিজমা এসেছে প্রধানত একটি সূত্রে থেকে। ঢাকার স্থানীয় মুসলমানরা কোনো কোনো সম্পত্তি নওয়াব আবদুল গণি ও আহসানউল্লাহকে ওয়াকফ করে দিয়ে যেত। ঢাকার নবাবদের জমির উৎস এই। তাও বেশকিছু জায়গা-জমি নয়। এটার ভেরিফিকেশন তো সোজা। ইন্টারেস্টেড যে কেউ ঢাকা কালেক্টরেটে যেয়ে দেখে আসতে পারেন। কাজেই নবাব পরিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে জমি দিবে, এমন জমি কোথায় ছিল? আহসান মঞ্জিলের কোনো জমি ছিল না।’

 

গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তার গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা কাজে এ সম্পর্কে কোনো সুস্পষ্ট ধারণা দিতে পারেননি। প্রতিষ্ঠালগ্নে সলিমুল্লাহ নবাব এস্টেট থেকে ৬০০ একর জমি দান করার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু দিয়েছিলেন বলে কোনো প্রমাণাদি পাওয়া যায় না। ১৯৩৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্যার এফ রহমানের সঙ্গে তৎকালীন ব্রিটিশ-ভারত সরকারের ২৫৭ দশমিক ৭০ একর জমি রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার দলিল আছে। এর বাইরে আর কোনো দলিলের হদিস নেই।

 

শতবর্ষ পূর্তির মাহেন্দ্রক্ষণে কিছু প্রস্তাবনা

ক) টিএসসি সংলগ্ন পারমাণবিক শক্তি কেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গায় প্রতিষ্ঠিত। ঢাকা শহরের আরও কিছু বৃহৎ স্থাপনার মতো এখানেও পারমাণবিক শক্তি কমিশনের কার্যালয়ের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। তাছাড়া, আগারগাঁওয়ে প্রতিষ্ঠানটির সুপরিসর নতুন ভবন নির্মিত হয়েছে। ওই জায়গা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আলোচনা সাপেক্ষ সরকারের কাছে থেকে বুঝে নিতে পারে। অধিকন্তু, টিএসসি সম্প্রসারণ দীর্ঘ দিনের দাবি।

খ) বিশ্ববিদ্যালয়ে এখনও যতটুকু উন্মুক্ত স্থান আছে সেটুকু সংরক্ষণ করা জরুরি। যত্রতত্র বেখাপ্পা, বেঢপ, কদর্য আকাশচুম্বী ভবন নির্মাণ বন্ধ হোক। ঐতিহাসিক রমনা গ্রিনে চিত্ত ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ উপযোগী ক্যাম্পাস ধারণায় আকাশচুম্বী কংক্রিটের জঙ্গল শুধু বেমানানই নয়, এর চেতনাগত পটভূমির সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

গ) এ দেশের মানুষের জাগরণের প্রতীক শহীদ মিনার এলাকার ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বহুতল ভবন নির্মাণেও সতর্ক থাকা উচিত। ঢাবি সমগ্র জাতির আবেগ অনুভূতি সম্পৃক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যের সঙ্গে অভিন্ন চেতনাসিক্ত প্রতিষ্ঠানটির যেকোনো সিদ্ধান্তে সংবেদনশীল ও সতর্ক থাকা উচিত।

ঘ) অবকাঠামোগত উন্নয়নের হিড়িকের চেয়ে শিক্ষার মান বাড়ানো অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। স্মরণে রাখা দরকার, মানের দিক দিয়ে বিশ্ব তো বটেই, দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যেও প্রতিষ্ঠানটি তলানিতে।

ঙ) শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসনের পাশাপাশি মাল্টিডিসিপ্লিনারি গবেষণার সুযোগ সমৃদ্ধ সুপরিসর লাইব্রেরি ভবন নির্মাণ সর্বাধিক গুরুত্ব পাক।

চ) সর্বোপরি, শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন লগ্নে ঢাকার আশেপাশে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ঘোষণা এখন সময়ের দাবি।

যথার্থই বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস। শত শত বর্ষ পেরিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চিরঞ্জীব হোক।

 

তথ্যসূত্র: সৈয়দ আবুল মকসুদ রচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষা, সরদার ফজলুল করিম রচিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও পূর্ববঙ্গীয় সমাজ: অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক-এর আলাপচারিতা ও অন্যান্য।

লেখক: কবি ও গবেষক

কৃতজ্ঞতা: প্রতিবেদনটি দ্য ডেইলি স্টার থেকে নেয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ