/ শতবর্ষ
আলমগীর শাহরিয়ার   ১ জুলাই গৌরবের শতবর্ষ পূর্ণ করল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯২১ সালে নিরানন্দ এক পরিবেশে কার্জন হলে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হয়। উৎসবমুখর না হয়ে নিরানন্দ হওয়ার কারণটা ছিল রাজনৈতিক। শতবর্ষ বাকী অংশ দেখুন
প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে অবদান রেখেছে। একই সঙ্গে অবদান রেখেছে শিক্ষা ও গবেষণায়ও। তবে গত তিন দশকে এই অবদানের হার অনেকটাই কমেছে।
১০০ বছর আগে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল। দেশের সবচেয়ে বড় এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শত বছর পূর্তি উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের ডিস্টিংগুইশড
আগামী ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। ১৯২১ সালে প্রতিষ্ঠিত আধুনিক বাংলাদেশের প্রথম ও ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়টি এখন শতবর্ষের দ্বারপ্রান্তে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান কার্যক্রম ছাড়াও প্রাসঙ্গিক নানা বিষয়ে কথা বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য
একশো বছর আগে মাত্র একজন ছাত্রী নিয়ে শুরু হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ছাত্রীর সংখ্যা তের হাজারের বেশি। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে এ অঞ্চলের নারীদের শিক্ষার সুযোগ-সুবিধা তেমন ছিল না। তৎকালীন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ এ বিষয়ে সন্দেহ নেই বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের ডে মন্টফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব চিকিৎসাবিজ্ঞানের অধ্যাপক পারভেজ হারিস। তবে ‘ভিন্ন পরিবেশ-পরিস্থিতি ও অর্থনৈতিক অবস্থার দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তুলনা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার শিক্ষাদানের লক্ষ্য থেকে সরে গিয়ে তলানিতে ঠেকেছে বলে মন্তব্য করেছেন লেখক ও অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান। তিনি বলেছেন, আমার ৩৮ বছরের শিক্ষকতার জীবন এবং আমি যদি ৪৫ বছরের
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২২ জুন) বুয়েটের একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে ভর্তি পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ভার্চ্যুয়াল এ বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য